শেখনিউজ রিপোর্টঃ দীর্ঘ একযুগ পরে লিবারেল পার্টি বাংলাদেশ পুনর্গঠনের কাজ শুরু হচ্ছে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে লিবারেল ইন্টারন্যাশনালের আদর্শ ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ১৯৯৮ সালের ১০ অক্টোবর লিবারেল পার্টি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০০ সালে পার্টির প্রথম ন্যাশনাল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয় ঢাকার বিসিআইসি মিলনায়তনে।
ঐ জাতীয় কংগ্রেসে লিবারেল ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে একজন ভাইস চেয়ারম্যান রাজীবা বিজয়সিনহা প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীতে লিবারেল পার্টি বাংলাদেশ ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহন করে বৈঠা প্রতীকে।
লিবারেল পার্টি সেই ২০০০ সালে রাজনৈতিক দলগুলোর আর্থিক অডিট রিপোর্ট জমা দেয়া বাধ্যতামূলক করার ঘোষণা দেয় এবং নিজেদের অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করে। তারাই প্রথম অফিসিয়ালি যুক্তরাষ্ট্রের এনডিআই’র সাথে যৌথভাবে লিডারশিপ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম করে। ২০০০ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের অনুরোধে ইইউ পার্লামেন্ট, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত এবং এশিয়ান অনেকগুলো দেশের সাথে নানাবিধ স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সমঝোতা করার কাজ সম্পাদন করে দেন পার্টির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ।
উল্লেখ্য লিবারেল পার্টির কমিটি হচ্ছে একটি রাষ্ট্রের অঙ্গগুলোর মতো। এখানে লিডারশীপের ব্যালান্স বিদ্যমান। কেউ অসীম ক্ষমতাবান নন বা অন্য কেউ উপেক্ষিতও নন। এমনকি সাবেক কমিটি প্রধানরাও পরবর্তী কমিটিতে নতুন কমিটি প্রধানের পরবর্তী ক্ষমতা ভোগ করেন।
ধারণা করা হচ্ছে সমাজের কিছু প্রতিষ্ঠিত আইনজীবী, সাবেক সেনা কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, পেশাজীবীরা লিবারেল পার্টির কমিটিগুলোর দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। সহসাই জাতীয় কেবিনেট, জাতীয় নির্বাহী কমিটি এবং জাতীয় লিডারশিপ কাউন্সিলের কর্মকর্তাদের নাম ঘোষণা করা হবে। বর্তমান কমিটিগুলো হবে এডহক ভিত্তিতে, পরবর্তীতে কাউন্সিলের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা দেয়া হবে।
