করোনা নিয়ে কংগ্রেসে ফাউচির সাক্ষ্যদান হোয়াইট হাউজ বন্ধ করেছে!

157

ডেস্ক রিপোর্টঃ ট্রাম্প প্রশাসন কোভিড-নাইন্টিন মহামারি কি ভাবে মোকাবিলা করেছেন সে সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ব্যাধি বিশেষজ্ঞ অ্যান্টনি ফাউচির প্রতিনিধি পরিষদের তদন্ত কমিটির সামনে আসন্ন সাক্ষ্য প্রদান হোয়াইট হাউজ বন্ধ করে দিয়েছে। এই জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে সর্বোত্তম কী ভাবে লড়াই করা যায় সে সম্পর্কে ফাউচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সব সময় একমত পোষণ করেননি।

যুক্তরাষ্ট্রের National Institute of Allergy and Infectious Disease ’এর পরিচালক ফাউচি যুক্তরাষ্ট্রে এই জীবাণু পরীক্ষার সক্ষমতার সমালোচনা করে বলেছেন যে তা ব্যর্থ হচ্ছে। গতমাসে অন্য একটি টুইটার আকাউন্ট থেকে ফাউচি#বরখাস্ত এ রকম কথা লেখা হয়েছিল তবে হোয়াইট হাউজ জোর দিয়েই বলেছে যে প্রেসিডেন্ট এমন ভীষণ জনপ্রিয় একজন বিজ্ঞানিকে মোটেই বরখাস্ত করার কথা ভাবছেন না।

এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জাড ডিয়ার বলেন ফাউচির স্বাক্ষ্য প্রদানে কোন সুফল পাওয়া যেতো না। মুখপাত্রটি আরও বলেন যে ট্রাম্প প্রশাসন যখন নিরাপদে আমেরিকার কার্যক্রম আবার শুরু করা এবং টীকা তেরির কাজসহ, COVID-19 এর বিরুদ্ধে গোটা সরকারকে কাজে লাগাচ্ছে তখন এই কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোন ব্যক্তিবিশেষের কংগ্রেসের শুনানিতে হাজির হ্ওয়ার ফলাফল ঠিক উল্টো হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের গভর্ণরদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি অংশত এই লকডাউনের বিধিনিষেধ শিথিল করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন এবং আশা করছেন যে এই জীবাণু আরেক দফা যেন মাথাচাড়া দিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে বাধ্য না করে। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের গভর্ণর, যাদের অধিকাংশই ডেমক্র্যাট, তারা আরও সাবধানতা অবলম্বন করছেন এবং রাজ্যের অর্থনীতি পুনরায় চালু করার সঙ্গে করোনাভাইরাস নিয়ে উদ্বেগের কথাও ভাবছেন। হোয়াইট হাউজের শারিরীক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশিকা বৃহস্পতিবার শেষ হয়ে যা্ওয়ায় কোন কোন গভর্ণর, যখন বিধিনিষেধ শিথিল করার জন্য চাপ দিচ্ছেন, ফাউচি তাঁদের আগে ভাগেই এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার ব্যাপারে হুশিয়ার করে দিয়েছেন।

ইউনিভার্সিটি অফ মিনেসোটার এক প্রতিবেদনে আরেকটি সতর্কবার্তা এসেছে যেখানে বলা হয়েছে যে এই মহামারি আরও দু বছর চলতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক ব্যাধির গবেষণা ও নীতি বিষয়ক কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে এ বছর শরৎকাল নাগাদ মহামারির প্রকোপ বৃদ্ধির পাবার পর আশা করা যায় এর প্রকোপ কমে আসবে।

সৌজন্যেঃ VOA

Facebook Comments

Hits: 64

SHARE