ঐক্যফ্রন্ট এখন জাতীয় সরকারের আন্দোলনে

60

শেখনিউজ রিপোর্টঃ সরকারের পদত্যাগ এবং জাতীয় সরকারের দাবিতে আন্দোলনে করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট৷ তাদের মতে দেশে এখন জাতীয় সরকারের কোনো বিকল্প নেই৷ কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এই আন্দোলন কতটুকু বেগবান পারবে বা আদৌ তাদের এই আন্দলনের জন্য কোন স্পেস সরকার ও পুলিশ দেবে কিনা?

শনিবার এক বিবৃতিতে সরকারের পদত্যাগ, জাতীয় সরকার গঠন এবং বেগম জিয়ার মুক্তির দাবী জানিয়েছে ঐক্যফ্রন্ট৷ সেই সঙ্গে জাতীয় সংলাপের দাবীও করা হয়৷ উল্লেখ্য ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর ঐক্যফ্রন্ট কোনো আন্দোলন গড়তে সক্ষম হয়নি।

ফ্রন্টের শরীক দলগুলোর মধ্যে কাদের সিদ্দিকির শ্রমিক জনতা লীগ ফ্রন্টে আর আছে কিনা তা স্পষ্ট নয়৷ বিগত বৈঠকে বিএনপির কোন প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন না। এই অবস্থায় আন্দোলনের নামে তারা কতটুকু পারবেন?

বিভিন্ন মিডিয়ার কাছে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা বিভিন্নভাবে তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন; এমনকি তারা বলেছেন ঐক্যফ্রন্ট সরকারকে সময় দিয়েছে! এই সময় না দিলে নাকি দেশে রক্তের স্রোত বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তারা সবকিছুতে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান চেয়েছেন বলেই কোন আন্দোলন করেন নাই।

ডাঃ জাফরুল্লাহ বিদেশি একটি মিডিয়াকে বলেছেন, এখনতো দুর্নীতিসহ সকল অপকর্ম প্রকাশ পাচ্ছে৷ দেখা যাচ্ছে পুলিশও এসব অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে৷ হাসিনা সরকার এখন লোক দেখানো অভিযান চালাচ্ছেন কিন্তু এতে পরিস্থিতির উন্নতি হবেনা৷ তাই তারা চাচ্ছেন সরকার পদত্যাগ করে একটি জাতীয় সরকার গঠন করুক; এতে এইসব বিষয়ের সমাধান হবে৷

বিএনপিও মনে করে এখন দেশের যা পরিস্থিতি তাতে আন্দোলন বেগবান করার কোনো বিকল্প নাই৷ তাই করনীয় নিয়ে বিএনপি তাদের বন্ধু দলগুলোর সঙ্গে নিয়ে যেকোনো একটা ইস্যুতে এর প্রকাশ ঘটাতে চাচ্ছে।

বিএনপি এবং ঐক্যফ্রন্ট নেতারা সরকারের দুর্নীতি ও ক্যাসিনো কেলেংকারির কারনে সরকারের পদত্যাগ এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে নির্বাচনের দাবিতে এখনো ঐক্যবদ্ধ। তারা মনে করছেন এই যে অভিযান চলছে এটি লোক দেখানো এবং জনগনকে বিভ্রান্ত করে নিজেদের নষ্ট ইমেজের উন্নয়ন ঘটানোর অপচেষ্টা।

তাদের মতে যে কোন দেশের যে কোন স্বৈরাচারী জনগনকে রাস্তায় নামতে দিতে চায় না। এই সরকারও সেই একই চরিত্রের। তবে তারা আশা করছেন জনগন রাস্তায় নামবে এবং স্বৈরাচারের পতন হবে।

Facebook Comments

Hits: 21

SHARE