ডঃ কামালঃ জাতীয়তাবাদীদের অবিসংবাদিত ধর্মনিরপেক্ষ নেতা

81

শেখনিউজ রিপোর্টঃ বাঙ্গালী জাতির পিতার সন্তান ভারতীয় চানক্যবাদের প্রতিভূ ডঃ কামাল হোসেন অবশেষে বাংলাদেশী জাতিয়তাবাদ ও ইসলামী মূল্যবোধের রাজনীতির জোটের অবিসংবাদিত ধর্মনিরপেক্ষ নেতায় পরিনত হলেন। তার সিদ্ধান্তই নির্বাচনপূর্ব এবং নির্বাচন পরবর্তীকালে বাস্তবায়িত হল; যদিও এর পেছলে চানক্যবাদিদের ইঙ্গিত ছিল বলে রাজনীতিতে চাউর এখন।

বিএনপি এবং এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পঞ্চাশোর্ধ তারেক রহমান লন্ডনে সেচ্ছানির্বাসিত অবস্থায় বিএনপিকে সঠিকভাবে নেতৃত্ব দিয়ে ক্ষমতায় নিতে পারছিলেন না বলেই কৌশলে ডঃ কামাল হোসেন ও সমমনাদের উপর ভর করতে ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’এ যোগ দিলেও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের বিপরীত মতাদর্শে বিশ্বাসীদের হাতেই ফ্রন্টের নেতৃত্ব চলে যায়। সেই থেকে ফ্রন্টের অবিসংবাদিত ধর্মনিরপেক্ষ নেতায় পরিনত হতে থাকেন ডঃ কামাল হোসেন।

নির্বাচনের পূর্বক্ষণে ডঃ কামাল হোসেন ভারতীয় পত্রিকায় সাক্ষাতকার দিয়ে পরিস্কার করে দেন যে জাতীয়তাবাদীদের ধ্যান ধারনা মোতাবেক ফ্রন্ট চলবে না। নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পরেও ডঃ কামাল হোসেনদের আচার আচরনে শেখ হাসিনার সরকার ও সংসদের বিরুদ্ধে তেমন কোন শক্ত বিসদ্গার না থাকায় জাতীয়তাবাদীরা হতাশ হয়ে পরে। কিন্তু বিএনপির অভ্যন্তরে গণতন্ত্র ও আদর্শ চর্চা না থাকার কারনে বিএনপি নেতারা ডঃ কামালদের তাবেদারি পরিত্যাগ করতে পারেনি।

একসময় ডঃ কামাল হোসেন সংসদে যাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছিলেন। সেই মোতাবেক সুলতান মনসুর এবং মকাব্বির হোসেন সংসদে যায়; পরিশেষে বাকিদের সংসদে পাথাতে বাধ্য হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

আগামীতে দলের মধ্য আদর্শ চর্চা ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হলে বিএনপিকে রাজনীতির মুল ট্র্যাকে ফিরিয়ে আনা কঠিনতর হবে বলেই অভিজ্ঞ মহলের ধারনা। সে ক্ষেত্রে ডঃ কামাল হোসেনরাই ধর্মনিরপেক্ষ নেতা হিসেবে ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী জাতীয়তাবাদীদের নেতৃত্ব দেবেন এবং এদের বাদ দেয়ার ঝুঁকি কেউ নেবে বলে মনে হয় না। বরং অন্যদের রাজনীতি ও নেতৃত্ব সর্বদাই ঝুঁকিতে থাকবে।

Facebook Comments
SHARE