সেনাবাহিনীর টহল জোরদারঃ ভোটারদের ভয় কাটছে!

190

শেখনিউজ রিপোর্টঃ দেশের ৩৮৯টি উপজেলায় বৃহস্পতিবার থেকে সেনাবাহিনী তাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ১৫২৩টি টহল পরিচালনা শুরু করেছে। শুক্রবার এই টহল জোরদার হওয়ায় জনমনে স্বস্তি ফিরছে। শনিবার টহল ও তল্লাশি অব্যাহতভাবে চললে সত্যিই একটি ভোট বিপ্লবের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সকল মহল মনে করছে। প্রতি জেলায় ৪৪০ জন সেনা সদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করছে।

বাংলাদেশের মানুষ যাতে নিরাপদে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেই পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতোরেস। বৃহস্পতিবার মহাসচিবের পক্ষে তার মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানোর পর থেকেই জাতিসংঘের অন্যতম স্টেক হোল্ডার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

ভোটগ্রহণ ও পরবর্তী সময়ে সহিংসতা ও ভয়ভীতির যেন সৃষ্টি না হয় তা নিশ্চিত করতে আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক করতে এই আহ্বান জানান তিনি। আর এ কাজটি কেবলমাত্র করতে সক্ষম সংস্থাই হচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

এদিকে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের বাসভবনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দুই পুলিশ কনস্টেবলকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ রাব্বিকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেছেন, ‘সশস্ত্রবাহিনী এই নির্বাচনে শুধু স্টাইকিং ফোর্স হিসেবেই থাকবে না, কোনো ধরনের অরাজক পরিস্থিতি হলে অব্যশ্যই তা সেনাবাহিনী প্রতিহত করতে পারবে।’

তারই প্রেক্ষিতে শনিবার এবং ভোটের দিন রোববার সেনা টহল, তল্লাশি এবং নিরাপত্তা প্রদান অব্যাহত থাকলেই এতদিন যারা জনতা ও বিরোধীদলের উপর জুলুম নির্যাতন চালিয়েছে তারা হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে যাবে। সোমবার থেকেই শুরু হবে দেশত্যাগ।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নসহ অনেক প্রভাবশালী দেশ বাংলাদেশের এই নির্বাচনে ভোটারদের নিরাপত্তা প্রদানের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনার জন্য আহবান জানিয়েছে।

Facebook Comments

Hits: 15

SHARE