শেখ হাসিনা নিয়ন্ত্রনে সক্ষম হলে নির্বাচনী ফল যা হবে… !!

381

শেখনিউজ রিপোর্টঃ বাংলাদেশের আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শেখ হাসিনা ও তার জোট নিজেদের পরিকল্পনা মাফিক নিয়ন্ত্রন করতে সক্ষম হলে নির্বাচনী ফলাফল কেমন হবে; তার একটি গোপন তথ্য শেখনিউজ ডট কমের গোচরীভূত হয়েছে। তেমন নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনে আওয়ামী জোট নিজেরা দুই তৃতীয়াংশ আসন নেয়ার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানা গেছে।

প্রকাশ থাকে যে, আওয়ামী পলিসি মেকারদের একটি অংশ ২০৯টি আসন নিজেদের কব্জায় নিতে চান; আরেকটি অংশ নিজেদের ভবিষ্যৎ বিদেশীদের কাছে পরিষ্কার রাখতে ১৬৭ টি আসন নেয়ার প্রস্তাব করেছে। বাকি ২৯ টি জাতীয় পার্টি এবং ১৩ টি জোটের অন্যান্যদের দিতে চান।

কট্টরপন্থীরা চান নিজেরা ২০৯ টি নিয়ে জাতীয় পার্টিকে ১৪ টি এবং জোটের অন্যদের ৯ টি দিয়ে বাকী ৪৮ টি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও অন্যান্যদের দিতে। কিন্তু মডারেটদের বক্তব্য হচ্ছে নিজেরা ১৬৭ টি আসন নিয়ে জাতীয় পার্টি ও অন্যদেরসহ ২০৯টি আসন নিলে ৯১টি আসন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও অন্যদের দিলে সংসদের মর্যাদা যেমন বাড়বে তেমনি সেই মর্যাদাবান সংসদ নিয়ে সরকার পরিচালনায় সহজ হবে। 

তবে ৯১টি আসনের মধ্যে তারা কমিউনিস্ট পার্টি ও তাদের সমমনাদের ১০/১১ টি আসন দিয়ে তাদের সংসদে আনতে চাচ্ছেন। তাদের মতে ঐক্যফ্রন্টে বিএনপির বাইরে থেকে কমপক্ষে ২৫ জনকে এবং ২০ দল থেকে ১০ জনকে জয়ী করাতে হবে। বাকী ৮৫ টির মধ্যে কয়েকটি স্বতন্ত্রদের জন্য রেখে বিএনপিকে ৪১ এর মধ্যে রেখে দেয়ার প্রস্তাব রয়েছে তাদের। 

এতে করে ঐক্যফ্রন্ট এর আসন হবে ৭৬টি। আর কমিউনিস্ট ও স্বতন্ত্রদের নিয়ে আসন হবে ১৫টি; মোট ৯১টি। জেনারেল এরশাদ সরকার থেকে বের হয়ে গেলে বা তাকে কৌশলে বের করে দিয়ে বিরোধীদের জোট বানানো হবে আর তাতে বিরোধী জোটের আকার হবে ১২০। একটি শক্তিশালী সংসদ হিসেবে দাতা দেশগুলোকে দেখানো সম্ভব হবে। আর তাতে আরও ৫ বছর সরকার পরিচালনা করতে তাদের কোন অসুবিধা থাকবে না। উপরন্তু বিএনপিকে ঐক্যফ্রন্ট দিয়ে সাইজ করে রাখা যাবে। 

আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের পলিসি মেকারদের সিদ্ধান্ত শীর্ষ মহলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য যাবে। তবে আওয়ামী লীগ এটাও জানে যে সাধারন নাগরিক ভোটারগন নির্বিবাদে ভোট কেন্দ্রে যেতে সক্ষম হলে এই চিত্র পুরোটাই উল্টো হয়ে যাবে। সেটি মাথায় রেখেই তারা তাদের পরিকল্পনা মোতাবেক আগাচ্ছেন।  

Facebook Comments

Hits: 55

SHARE