ভারতীয় সেনাবাহিনীর অধীনে বাংলাদেশ?

55

আবু জাফর মাহমুদঃ ভারতীয় সেনাবাহিনীর অধীনে বাংলাদেশকে অধীনস্থ করার ভারতীয় সামরিক কৌশলকে নিজের ক্ষমতায় থাকার বিনিময়ে মেনে নিয়ে চুক্তি সই করে এলেন শেখ হাসিনা। বাঙালির রাজনৈতিক ইতিহাসের আরেক ধাপ দেখা দিলো। রাজনীতি চর্চায় সবচেয়ে বেশী আগ্রহী জাতি সামান্য আবেগের কাছে সারেন্ডার করে দিলো রাষ্ট্রীয় মর্যাদা।ছদ্মবেশী ভারতীয় সামরিক কৌশলের কাছে নিজেই পরাজয় মেনে নিলো বাংলাদেশ রাজনীতি। প্রধানমন্ত্রী এবং সেনাপ্রধান ভারতীয় সেনাপ্রধানের বা ভারত সরকারের নির্দ্দেশ মেনে চলছেন।জনগণ যাই বলুক, বাংলাদেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক নেতা নেত্রীরাও ঘুষের বিনিময়ে তা মেনে চলছেন, চলবেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জোর দিয়ে বলছেন।

কলকাতার বাঙালিদের চেয়েও নীচু ধাপের রাজনীতিকের প্রমাণ দিয়েছেন ফরিদপুরের গোপালগঞ্জের শেখ হাসিনা। তিনি নিজে থেকেই গুজরাটি নরেন্দ্র মোদীর সমর্থক হয়ে নাকে খত দিয়ে এসে বাহাদুরি করছেন। কলকাতা পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী।দিল্লী রাজধানী পুরো ভারতের।পশ্চিম বঙ্গীয়রা কখনো দিল্লীর বা অন্যান্য প্রদেশের কারো সমর্থক হয়নি।

সর্বভারতীয় রাজনীতির নামে বা কেন্দ্রের নেতৃত্ব চাপিয়ে দেয়ার কৌশলে বহু চেষ্টা করেও সেই ধারণা গেলানো সম্ভব হয়নি। এমনকি বিদেশী মতবাদ বা বিদেশী প্রভাবশালী নেতার ইমেজ আমদানী করেও তা জনগণের কাছে গ্রহন করানো যায়নি। শেখ হাসিনা দিল্লীকে ভালবেসে ২২টি উপায়ে বাংলাদেশকে মোদীর সরকারের অধীনস্থ করে খুশী হয়েছেন।তিনি আলাদা।দেশকে সবচেয়ে ভালবাসেন! এই ভালবাসা নিয়ে প্রশ্ন করা তার অপছন্দ।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রটোকল এড়িয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বিমানবদর থেকে রিসিভ করেছেন এবং রাষ্ট্রপতি ভবনে আতিথিয়তা দিয়েছেন।রাষ্ট্রপতি প্রণব মূখার্জী এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যে সৌজন্যতা দেখিয়েছেন তার কৌশলগত গুরুত্ব অবশ্যই আছে।চীন-পাকিস্তানের ভয়ে আমেরিকার হাঁটুর নীচে অবস্থান নেয়া ভারতের চলছে দুর্দিন।এই দুর্দিনে হাসিনাকে সম্পুর্ণ বশে এনে কাজটি আদায় করা জরুরী ভারত সরকারের।

প্রতিবেশী নেপাল, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ সহ সবাই চীনের মিত্র হয়ে যাওয়ায় লাওস, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও বার্মা সহ চীনের প্রভাবে বিস্তৃতি বেড়েছে প্রবলভাবে।অপরদিকে আছে পাকিস্তান। আমেরিকা যে কোন সময়েই চীনের সাথে সমঝোতা করে ফেলতে পারে। তাই সীমান্তের চারিদিকে ভয় বিভীষিকায় আছে ভারত। এই অবস্থাতেই ভারতীয় সেনাবাহিনীর অধীনে বাংলাদেশকে অধীনস্থ করতে দরকার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং সেনাপ্রধানকে।সেই লক্ষ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান বাংলাদেশে এসে কেনাকাটা চূড়ান্ত করে তাদের প্রধানমন্ত্রীকে সংকেত পাঠালেন ঢাকা থেকেই। সেই আলোকেই ব্যবস্থা হয় শেখা হাসিনাকে আপ্যায়ন এবং চুক্তির দলিলে স্বাক্ষর।

পশ্চিমবঙের মূখ্যমন্ত্রীকে একজন আত্নীয় পাঠিয়ে শেখ হাসিনা বৈঠকের আমন্ত্রণ জানালে মমতা তাতে সম্মতি দেখিয়ে এবং তাদের প্রধানমন্ত্রী মোদীজীর অনুরোধে তিনজন একত্র হয়েছিলেন দিল্লীতে। আবেগ আর সৌজন্যে ঘাটতি রাখেন নি তিনি।তবে তিস্তার পানি দিতে স্পষ্ট অস্বীকার মমতার। গুরুত্বই দিলেননা মমতা। বরঞ্চ বিকল্প প্রস্তাব দিলেন তিনি।বললেন, তোর্সা, রায়ডাক ওজলঢাকা সহ ৪টি নদীর জল নিলে নিতে পারেন। বাংলাদেশেরতো জলের দরকার।

বাঙালির সংস্কৃতিতে অসাম্প্রদায়িকতা একটি বড় উপাদান।এরা পুজা করে, মন্দিরে যায়। এরা নামাজ পড়ে, মসজিদে যায়।প্রার্থনা করে, গীর্জায় যায়।এরা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাহাঙ্গামা পছন্দ করেনা। তৎকালীন পুর্ব বাংলা বা আজকের স্বাধীন বাংলাদেশে মুসলমান বাঙালির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা আগেও ছিলো এখনো আছে। এখানে সকল ধর্মের মানুষ মানবতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে জীবনের মৌলিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই। পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অঙ্গ থেকে গেছে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠতায় এককভাবে এবং বাংলাদেশের মতো স্বাধীনতার যোগ্যতা পায়নি,মুক্তিযুদ্ধ করার মুরোদ হয়নি ওদের, তবুও হিন্দু প্রভাবিত এই বাঙালি সমাজে আছে অসাম্প্রদায়িকতা। আছে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের সাথে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান।

পশ্চিমবঙ্গকে গুজরাট,উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ,ঝাড়খণ্ড এবং মহারাষ্ট্রের সাথে তুলনা করা চলেনা। এসব রাজ্যগুলো ভারতের বর্বর সাম্প্রদায়িক অঞ্চলগুলোর মধ্যে ভয়ানক সীমা অতিক্রম করে ফেলেছে।ওগুলোতে সরকারে চড়ে বসেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা।প্রকাশ্যে মারণাস্ত্র নিয়ে রাস্তায় সংখ্যালঘুদেরকে নিপীড়ন করছে। করছে হত্যা। এই নিপীড়ন ও হত্যাকে ধর্মীয় অধিকার বলে দাবি করছে সরকারের পৃষ্টপোষকতায়।মন্দিরের জঙ্গি পুরোহিত যোগী আদিত্য নাথকে উত্তর প্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত করা হয়েছে মোদী ও অমিতদের কেন্দ্রীয় সরকারের পৃষ্টপোষকতায়।বাংলাদেশে এই চরিত্রের কাউকে পাবলিক নির্বাচিত করার কথা ভাবেনা,চিন্তাও করতে পারেনা।বাঙলাদেশী সমাজ অসাম্প্রদায়িক মানুষের সমাজ।

পশ্চিমবঙ্গে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোস, শ্রীরাম কৃষ্ণ, স্বামী বিবেকানন্দ এবং রবীন্দ্রনাথ হলেন পশ্চিম বঙ্গীয় বাঙালির মডেল। সবার ঘরে ঘরে জনপ্রিয়। এরা চারজনই হলেন অসাম্প্রদায়িক ধারার মানুষ। সাম্প্রাদায়িকতার পক্ষে ওনারা নন। তারা বিভিন্ন সময় বাঙালির ভেতরে বিদ্বেষ বা বিভক্তির তীব্র সমালোচনা করেছেন। বৃটিশ শাসনামলে ধর্মীয় দাঙ্গা লাগানোর কালে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় বাংলায় অনেক বেশী ক্ষতি হয়েছিলো ঠিকই, তবুও বাঙালির ঐতিহ্যগত চরিত্রে এই ভয়াবহ অপরাধের রোগ বিস্তৃত করা সম্ভব হয়নি। সাধারণ মানুষের ভোট পেয়ে সাম্প্রদায়িক কোন রাজনৈতিক দল কখনো সরকার গঠন করতে পারেনি বাঙলায়।কি পশ্চিমবঙ্গে কি পূর্ববঙ্গে বা আজকের বাংলাদেশে।

বাংলাদেশে ৯০%জন মানুষ মুসলমান।হিন্দু,বৌদ্ধ,খৃষ্টান এবং উপজাতি নানা গোষ্ঠীর বা বংশীয় ধারা বাংলাদেশী সমাজে সহাবস্থান করে আসছে হাজার বছর ধরে।সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এক সম্প্রদায়ের বাড়িতে অন্য প্রতিবেশী অন্যান্যদের নিমন্ত্রণ আপ্যায়ন পরম আতিথিয়েতায় এক অপূর্ব সামাজিকতার উদাহরণ এই বাঙালি সমাজ। পুরোভারতের সাথে বাঙালির ঐতিহ্যের এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের মধ্যে মিল তেমন একটা পাওয়া যায়না। বাঙালির মধ্যে কেবলমাত্র ভাষাগত আপন ধারা রয়েছে তা নয়, আত্নমর্যাদার প্রশ্নেও ধনী দরিদ্র নির্বিশেষে রয়েছে এক বিশেষ অনন্যতা।এরা বিজাতীয় আধিপত্য বা কর্তৃত্বের প্রশ্নে ধর্ম ও গোষ্ঠী নির্বিশেষে অভিন্ন।বাঙালির এই স্বাতন্ত্র্যবোধ বা নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের ধরণ ও শেকড় নিয়ে নৃবিজ্ঞানী ও সমাজতাত্ত্বিকদের প্রচুর গবেষণার দলিল আছে।

ভারতে কংগ্রেস এবং বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে জনপ্রিয় দল ছিলোনা, এখনো নয়।ভারতের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সারাভারতীয় প্রতাপ প্রভাব থাকা স্বত্তেও বাঙালিরা এই দুই দলকে তাদের দল ভাবতে পারেনি, নিজের বলে গ্রহন করতে পারেনি।তারা সব সময় বাঙালি নেতাকেই নিজের নেতা বলে গ্রহন করেছে। বিধানচন্দ্র রায়,অজয়রায়,প্রফুল্ল চন্দ্র সেন,সিদ্ধার্থ শংকর রায়, জ্যোতি বসু,বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্য অথবা আজকের মমতা ব্যানার্জী সহ কেউই দিল্লীর নির্দেশ মেনে চলেননি বা দিল্লীর ইশারায় পশ্চিমবঙ্গীয় সরকার চালাননি।

সরকার হোক কম্যুনিষ্ট অথবা তৃণমূলের সরকার।কেউ দিল্লীর কলোনিয়েল হুকুমের দাস হয়নি।অর্থাৎ বাঙালি দিল্লীর পরিচালনা মানেনি,মানেনা। ইন্দিরা গান্ধীকে সবচেয়ে ক্ষমতাধর প্রধানমন্ত্রী মানা হয় ভারতে। আমরাও ঐরকম দেখে এসেছি।তিনিও পশ্চিমবঙ্গের বাঙালির সরকার গঠন বা সরকার পরিচালনায় চুলও নাড়াতে পারেননি। যে কোন রাজনৈতিক মতামতের প্রতি সম্মান দিতে পারি,তা আমার পছন্দের না হলেও।রাজনীতি মানুষের মৌলিক অধিকার।অপরের অধিকারে আমার সম্মান আছে বলেই আমার অধিকারে অপরের সম্মান দাবি করতে পারি।তবে হিপোক্র্যাচি যেকোন রাজনীতির গুরুত্ব খর্ব করে।রাজনৈতিক পরিবেশের কোন হিপোক্র্যাটই তার হিপোক্র্যাচির সত্যতা ততক্ষণ স্বীকার করেননা,যতক্ষণ অন্যেরা তাকে সহ্য করে।

রাজনীতিতে হিপোক্র্যাচি চরিত্রের ব্যাপক উপস্থিতি আছে, দেখা যায়। হিপোক্র্যাচি যারা করেন তাদেরকে বলা হয় হিপোক্র্যাট।রাজনৈতিক কর্মী সমর্থকদের মধ্যে সাধারণতঃ হিপোক্র্যাটের সংখ্যা খুবই কম থাকে।কর্মী সমর্থকরা সাধারণতঃ থাকেন নিবেদিত এবং আত্নত্যাগী মনোভাবের।তারা জনগণের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত থাকেন বিধায় পরিবেশগত কারণেই তাদের মধ্যে হিপোক্র্যাচির সুযোগ কম থাকে।

হিপোক্র্যাট সাধারণতঃ দলীয় নেতা এবং রাজনীতিবিদরা।নিজেদের হীন স্বার্থেই তারা এই রাজনৈতিক নীতি কৌশলে হিপোক্র্যাচি বা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে জনগণের সমর্থন আদায় করেন।কর্মী সমর্থকদেরকে নিজদের পক্ষে ধরে রাখেন। পশ্চিমবঙ্গে বাঙালির যতটুকু রাজনৈতিক নেতৃত্বশুণ্যতা দেখা দিয়েছে এবং মমতা ব্যানার্জিকে সরকার থেকে সরিয়ে উগ্র সাম্প্রাদায়িক হিন্দু জঙ্গি সরকার করার জন্যে নরেন্দ্র মোদিদের বিজেপি জোর জনসংযোগের সফরসূচী নিয়েছে হাতে।চাইছে মমতার বিরুদ্ধে শক্তি খাড়া করার জন্যে, হিপোক্র্যাটদেরকে জোটে বা দলে ভিড়ানোর জন্যে।

মমতার বিরুদ্ধে এতোদিন তারা কিছুই করতে পারেননি। আগামীতে কি করবেন,করতে পারবেন তা ভবিষ্যতে প্রমাণ হবে।রামনবমির দিনে বিজেপি অস্ত্রের মিছিল করেছে পশ্চিমবঙ্গে।এই জঙ্গি অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে মমতার সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।মুখোমুখী অবস্থানে মমতা-মোদী। ভিজেপি সরকারের মুসলমান-বিদ্বেষ নীতির রাজনৈতিক সহযোগী শেখ হাসিনার সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে মমতা ঠিকই দিল্লী গেলেন।কথা বললেন।তবে রাজ্যের স্বার্থের বাহিরে কেন্দ্রের কোন হিপোক্র্যাচির জালে তিনি পা দেননি। তিনি মোদী ও হাসিনাকে বলেছেন সাফ কথা।“তিস্তা চুক্তি সম্পর্কে কেন্দ্র কি করবে না করবে হাসিনার সাথে,তাতে তার কিছুই করার নেই।তার আগ্রহও নেই।তবে তিস্তার জল দেয়া যাবেনা।বাংলাদেশের জল দরকার আমি জানি।তোর্সা,রায়ডাক ওজলঢাকা সহ ৪টি নদীর জল নিলে নিতে পারেন”।

মোদী বলেছেন, “আমি এবং শেখ হাসিনার ক্ষমতার সময়েই তিস্তা চুক্তি সম্পন্ন হবে বলে আমরা খুবই আস্থাবান”।শেখ হাসিনা তৃপ্তির সাথে বলেছেন অনেক কথা।কিসে তার তৃপ্তি আর কিসে বাংলাদেশের ১৯কোটি জনসাধারণের প্রাণ যায় আর আসে, এ দু’য়ের ব্যবধান দিগন্তের এপার আর ওপারে।হাসিনা হয়েছেন শাসক। বিজাতিকে বেশীভাগ দিয়ে নিজে শাসনক্ষমতা নেয়ার ধারা ইতিহাসে প্রচুর আছে,তেমন ঘটনা বাংলাদেশ এবার কাছে থেকে দেখলো।বিএনপি জোটের উত্থান এবং বর্তমানের দূর্বল অস্তিত্ব দেশবাসিকে করছে বিভ্রান্ত,হাসিনা রাজনীতি ধ্বংস করে নিজের ক্ষমতার লোভে সেই সুযোগ যথাযথ কাজে লাগালেন। বিএনপি নিয়ে আর সামান্যও ভরসা থাকার যুক্তি দেখিনা। এই অবস্থাতে আফসোস করে সময় ক্ষেপন করবো নাকি বিকল্প চিন্তাভাবনা হবে দেশরক্ষার জন্যে?বাংলাদেশীদের কাছে আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জামাত,জাসদ,কম্যুনিষ্ট বা অন্য দলের দলাদলি থাকুক, যার যা ইচ্ছে করুন।

বাঙালির ঐতিহ্যের সাথে মিল রেখে হিপোক্র্যাটদের পরাজিত করার মধ্যেই বাঙালির স্বাধীনতা রক্ষা করার একমাত্র উপায়।তাছাড়া বাংলাদেশ নামে রাষ্ট্র ম্যাপে থাকতে ওরা দিবেনা। মোদী সরকারের সাথে ২২টি চুক্তি সই করেছেন শেখ হাসিনা।তার একুশটি মোদীদের পক্ষে হয়েছে,একটি হয়েছে বাংলাদেশের পক্ষে।সেই একটি হলো,মোদী-হাসিনার চুক্তির চাপের যন্ত্রণায় প্রাণ যেতে পারে,তবে বাংলাদেশে শব্দ করে কান্নাকাটি করা নিষেধ।(বিস্তারিত উল্লেখ করা হবে ক্রমাগতভাবে)।

(লেখক আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষক ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান)।

Facebook Comments
SHARE